হিন্দুদের মূর্তি-বাড়িঘর আসলে হিন্দুরাই ভাঙ্গে........


ছবিতে যে খবরগুলো দেখতে পাচ্ছেন, সেগুলো কিন্তু আকাশ ফুরে বের হয় নাই। আমরা প্রতিদিন যে সংবাদমাধ্যম পাঠ করি সেখানেই এ খরবগুলো নিয়মিত আসে। খবরগুলো বেশ পুরানোও নয়, গত ৬ মাসের মধ্যে দেশে ঘটে যাওয়া খরব। খবরগুলোতে কি আছে আসুন দেখি-
১) যশোরের মনিরামপুরে বাওড়ের ইজারা নিয়ে দু’পক্ষের দ্বন্দ্বে হিন্দুরা নিজেরাই মূর্তি ভাংচুর করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চাইছে। (http://bit.ly/2B29Hph)
২) রাজশাহীর তানোরে জমির বিরোধের জের ধরে নিজেরাই নিজেদের মূর্তি ভেঙ্গে প্রতিপক্ষকে দোষ দিচ্ছে হিন্দুরা। (http://bit.ly/2z1BJje)
৩) কুমিল্লায় বিয়ে নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ভাঙ্গলো দূর্গা মূর্তি । (http://bit.ly/2zQRhKl)
৪) ফরিদপুরে প্রতিপক্ষ মুসলমানকে ফাঁসাতে নিজের ঘরে আগুন দিয়েছে এক হিন্দু। (http://bit.ly/2iwgxMd)
৫) নারায়ণগঞ্জে শত্রুকে ফের মামলায় ফাঁসাতে নিজ মন্দিরে আগুন (http://bit.ly/2ivah7o)
৬) রংপুরে নিরীহ মুসলমানকের ফাঁসাতে মূর্তি ভাঙ্গলো হিন্দু (http://bit.ly/2sm9loY)
আরেকটু পুরাতন সময়ের খবরে পাওয়া যায়-
-শেরপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেদের মূর্তি ভেঙ্গেছে হিন্দুরা। (আইএনবি, ২৮ মে ২০১৪);
-পাংশায় (রাজবাড়ী) প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ বাড়ির মন্দিরে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ! (কালেরকণ্ঠ, ০৯ আগস্ট ২০১৫);
-পিরোজপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেদের মূর্তি ভাঙ্গার তথ্য ফাঁস। (মঠবাড়িয়া প্রতিদিন, ২৮ নভেম্বর ২০১৪);
-ভোলায় জমিজমার বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতাকে ফাঁসিয়েছে হিন্দুরা। (লালমোহনবিডি, ২ অক্টোবর ২০১৫);
-নীলফামারিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই মূর্তি ভেঙ্গেছে হিন্দুরা! (এনটিভি, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫);
-সাতক্ষীরায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই নিজেদের মন্দির ভেঙ্গেছে হিন্দুরা। (গ্রামের কাগজ, ১ এপ্রিল ২০১৫)।
হিন্দুরা নিজেরাই মূর্তি-মন্দির-ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ও আগুন দিয়ে মুসলমানদের ফাঁসায় এ সম্পর্কে একটি আর্টিকেল পড়তে- http://bit.ly/2zRKz6
তারমানে বিষয়টি হচ্ছে,
আওয়ামী সরকার ও মুসলিম জনগণ হিন্দুদের মূর্তি ও বাড়িঘরকে অতি সেনসেটিভ ও গুরত্বপূর্ণ হিসেবে ট্রিট করছে, আর সেই সুযোগটি নেয়া শুরু করেছে হিন্দু সম্প্রদায়। তারা নিজেরাই নিজেদের মূর্তি আর বাড়িঘর ভেঙ্গে মুসলমানদের দোষারোপ করছে, মুসলমানদের গুলি করে হত্যা করছে, মুসলমানদের জেলে পুরছে। পাশাপাশি ১ হাজার টাকার ঘর পুড়িয়ে বা মাটির মূর্তি ভেঙ্গে ১০ লক্ষ টাকার অনুদান লুটছে। ভুলে ফেপে ঢোল হচ্ছে। অর্থাৎ হিন্দু মূর্তি ভাঙ্গা আর ঘর পুরানো হিন্দুদের সফল কৌশলে পরিণত হয়েছে।
আরো সহজ ভাষায় বলতে,
মুসলিম জাতির অতি সহানুভূতি হিন্দুদেরকে মুসলিমঘাতি করে তুলেছে। এই অবস্থা থেকে বাচতে মুসলমানদের হিন্দুদের প্রতি অতিসহানুভূতি ত্যাগ করার কোন বিকল্প দেখি না।

========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

চট্টগ্রামের সাজু মজুমদার, তিনি অন্যধর্মের বিরুদ্ধে এতটা ক্ষোভ ধারণ করেন কিভাবে ?


চট্টগ্রামে সাজু মজুমদার নামক এ দাদার সাথে কারো পরিচয় থাকলে আমাকে জানাবেন।
আমি তাকে একবার জিজ্ঞেস করতাম- তিনি অন্যধর্মের বিরুদ্ধ এতটা ক্ষোভ ধারণ করেন কিভাবে ?
তার স্ট্যাটাসগুলো পড়তে পারেন-
১) ভোরের নামাযের উদ্দেশ্য হলো ঘুমন্ত জনপদের উপর হামলা করার জন্য মুসলমানদেরকে ডেকে তোলা- http://archive.is/Gx1MO
২) ইসলাম একটা নরক! ইসলাম মহাপাপ! - http://archive.is/Vr00S
৩) টুপি পরা মাওলানা দেখলে সম্মান করা যাবে না, বরং দেখলে মুখে দিয়ে গালি দিয়ে দিবে।-http://archive.is/OTjSm
৪) যতদিন না হিন্দু জাতি মুসলিম জাতিকে ঘৃনা না করবে,ততদিন হিন্দুসমাজ নির্যাতিত হতে থাকবে।- http://archive.is/gBYi6
৫) বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য পৃথক স্বাধীন ভূমি দরকার - http://archive.is/J7dGS
একই সাথে আমি বাংলাদেশের প্রশাসন ও মিডিয়াকে বলবো, ধর্মীয় অবমাননা রাষ্ট্রীয় আইনে অপরাধ হলেও আপনারা দয়া করে সাজু মজুমদারদের এসব স্ট্যাটাস দেখবেন না। এগুলো দেখলে আপনাদের পাপ হবে। এসব সাজু মজুমদারদের কারণে যখন সমাজে মারামারি কাটাকারি তৈরী হবে তখন সাথে সাথে আপনারা লাইভ ভিডিও আর বন্দুকবাজি নিয়ে উপস্থিত হইয়েন। মুসলমানদের গুলি কইরে মাইরেন আর মুসলমানদের সন্ত্রাসী বানাইয়েন, আর এ আইডিটা যে ভুয়া তা প্রচার করতেও ভুইলেন না।

========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

ইসরাইলি পত্রিকায় বাংলাদেশের কথিত হিন্দু নির্যাতন নিয়ে খবর ।


খবরের শিরোনাম- “Bangladeshi newspaper's conspiracy theories against Israel”। 
খবরের লিঙ্ক- http://bit.ly/2hBcuNR , http://archive.is/UyOXJ

১৬ই নভেম্বর প্রকাশিত খবরটিতে বাংলাদেশের কোন চিপায় কোন হিন্দু নির্যাতিত হচ্ছে তার যাবতীয় লিস্ট প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনটিতে মেন্দি সাফাদির রেফারেন্স দিয়ে বলা হয়- বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের রক্ষা করে, কিন্তু নিজ দেশের হিন্দুদের উপর হামলা চালায়।  

এছাড়া প্রতিবেদনটিতে দিগন্ত বার্তা ২৪ এর একটি নিউজ খণ্ডন করা হয়। গত ১২ই অক্টোবর মেন্দি সাফাদি তার ফেসবুক ওয়ালে বলেছিলো- “ইসরাইল বাংলাদেশ ও কুর্দিস্থানে সংখ্যালঘুদের স্বাধীনতা না পাওয়া পর্যন্ত ক্লান্ত হবেনা!  দিগন্ত বার্তা ২৪ এসম্পর্কে মন্তব্য করেছিলো - “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধ্বংসে ষড়যন্ত্র করছে ইসরাইল। তারা এদেশে ভাগ করে সংখ্যালঘুদের নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখছে। ইতিমধ্যে মোসাদ ইজেন্ট সাফাদি এন মেন্দি তার ষড়যন্ত্রের জাল অনেকদূর ছড়িয়ে দিয়েছে। সব থেকে ভয়াবহ বিষয় হলো ইসরাইল বাংলাদেশের ইস্যুটাকে কুর্দিস্তানের স্বাধীনতার সাথে তুলনা করছে।“ (http://bit.ly/2mDihaX)

ইসরাইল পত্রিকায় দিগন্ত বার্তা ২৪ এর ঐ আশঙ্কা সরাসরি অস্বীকার করা হয়। এবং দাবি করা হয়- তারা শুধু বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চায়। এবং হিন্দুদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, এর বেশিও চায় না, কমও চায় না।

আর্টিকেলটি লিখেছে রাহেল আব্রাহাম নামে এক গোড়া ইহুদী নারী সাংবাদিক। 
তার আইডি লিঙ্ক- https://www.facebook.com/5744135

========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

একটু আগে খবর পেলাম, শ্রীলংকায় মুসলমানদের উপর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে বৌদ্ধরা


একটু আগে খবর পেলাম, শ্রীলংকায় মুসলমানদের উপর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে বৌদ্ধরা। গত শুক্রবার ১৭ই নভেম্বর এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় মুসলমানদের ৩২৩টি বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়। স্থানীয় মুসলমানরা জানিয়েছে, ঘটনার সময় নিরাপত্তা বাহিনী বৌদ্ধদেরকেই সাহায্য করেছিলো। স্থানীয় মুসলমানরা এ ঘটনার জন্য বধু বালা সেনা নামক একটি উগ্র বৌদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনকেই দায়ী করেছে। (http://bit.ly/2zepfJzhttp://bit.ly/2ASNk4K)
আপনাদের মনে থাকার কথা,
আজ থেকে প্রায় ৫১ দিন পূর্বে আমি বলেছিলাম, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানদের তাড়ানোর জন্য ইহুদীরা ভারতের আরএসএস, মায়ানমারের ৯৬৯ মুভমেন্ট এবং শ্রীলঙ্কার ‘বধু বালা সেনা’, এই তিনটি সংগঠনকে সরাসরি দায়িত্ব দিয়েছে। (http://bit.ly/2j5L9Ul)
একই সাথে ঐ সময় আমি প্রশ্ন করেছিলাম,
তিনটি বিরাট বিরাট সাম্প্রদায়িক শক্তির মাঝখানে ছোট্ট একটু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বেচে থাকবে তো ??



========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

যে কোন সাধারণ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রংচং দেয়া অ্যাডভোকেট রবীন্দ্রঘোষের কাজ


হিন্দুরা কোথাও নির্যাতিত হচ্ছে, এমন খবর পেলেই ক্যামেরা হাতে হাজির হয়ে যায় অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ। ‘মাইনোরিটি ওয়াচ’ নামক কানাডার একটি সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে সে। ডান হাতে তার লাল সূতা বাধা রবীন্দ্রঘোষকে দেখে স্বাভাবিকভাবে মনে হতে পারে, সে হিন্দুদের খবর নিচ্ছে, তাদের আইনী সহায়তা দিচ্ছে এবং হিন্দু নির্যাতনের খবরগুলো মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসছে। কিন্তু বাস্তবে কি হচ্ছে, সেটা হচ্ছে সেটা জানার জন্য আমাদেরকে ২০১৪ সালের ১লা ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের একটা খবর পড়তে হবে। খবরটির শিরোনাম- “প্রতিবাদকারীরাই পাল্টা মামলার আসামি”। খবরটি ছিলো ঢাকাস্থ নন্দীপাড়া এলাকায় নবম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে কুলসুম ঋতুর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। শিমুর চন্দ্র বিশ্বাস নামক এক বখাটের যৌন নিপীড়নের স্বীকার হয়ে ঋতু আত্মহত্যা করেছিলো। ঘটনার পর ঐ এলাকার মানুষ প্রতিবাদ করে। সে সময় রবীন্দ্রঘোষও ঐ এলাকায় যায়। আসুন খবরটি পড়ি-
“খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় ইস্টপয়েন্ট এডুকেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী উম্মে কুলসুম ঋতুর আত্মহত্যার জন্য দায়ী বখাটেদের কোনো শাস্তি হয়নি। বরং প্রতিবাদকারীরাই পাল্টা মামলার হুলিয়া নিয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বখাটে শিমুল চন্দ্র মণ্ডল, তাদের একজন আইনজীবীসহ অপর আসামিরা প্রতিবাদকারীদের নানাভাবে দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিবাদকারীদের হয়রানি ও ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হিসেবে দেখানোর প্রতিবাদে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্দন করেছেন ইস্টপয়েন্ট এডুকেশনের স্কুলের ছাত্র, শিক্ষক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়া তারা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, খিলগাঁও থানাসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ইস্টপয়েন্ট এডুকেশন স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক আল আমিন রকি, ঋতুর মা সাথী আক্তার, ঋতুর ফুফু আমেনা বেগম, এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল হক, ঋতুর বোন মিতুসহ স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণীর শতাধিক ছাত্রছাত্রী।
স্মারকলিপি ও মানববন্ধনে বলা হয়েছে, ৬ সেপ্টেম্বর বখাটের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ার বাসায় আত্মহত্যা করে ইস্টপয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ঋতু। ওই ঘটনায় ঋতুর মা খিলগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় শিমুল চন্দ্র মণ্ডল, তার বাবা রঞ্জন চন্দ্র মণ্ডল, মা মালতী রানী মণ্ডল, আত্মীয় পিন্টু চন্দ্র মণ্ডল ও জয়গোপাল মণ্ডলকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ শিমুলের সহযোগী রফিক, জিয়াদ ও বিল্লালকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। অথচ এজহারভুক্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়নি। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা পলাতক থাকা অবস্থায় সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট ও বাংলাদেশ মাইনোরেটি ওয়াচের সভাপতি রবীন্দ্র ঘোষের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রবীন্দ্র ঘোষ ঋতু হত্যার প্রতিবাদকারীদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেন। তিনি বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হিসেবে শনাক্ত করার চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় হিন্দুদের উস্কানি দেন।
রবন্দ্রীঘোষ প্রতিবাদকারীদের বলেন, আমাকে এই টাকা (১০ লাখ) পরিশোধ না করলে আমি আপনাদের দেখিয়ে দেব আমি কে। কিভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হয় উকিল হিসেবে আমি তা ভালো করেই জানি। স্মারকলিপিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এজাহারভুক্ত আসামিরা পলাতক থাকা অবস্থায় রবীন্দ্র ঘোষের আশ্রয়ে ছিল। সে একজন দুষ্ট প্রকৃতির লোক এবং লোভী। সে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলায় ফাঁসিয়ে টাকা-পয়সা আদায় করে। এই রবীন্দ্র ঘোষ নন্দীপাড়া এলাকায় এসে কিছু হিন্দু লোক জোগাড় করে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে, রঞ্জন আপনাদের জাতি ভাই; তার পাশে আপনাদের থাকা উচিত। মুসলমানরা আপনাদের জন্য সব সময় হুমকিস্বরূপ; তাদের পাশে থেকে লাভ নেই। আপনারা মুসলমানদের সঙ্গে প্রয়োজনে সংঘর্ষ করবেন।
আপনাদের যা হয় আমি দেখব। তিনি এলাকায় দাঙ্গা তৈরি করতে চেয়েছেন। এরপর এলাকার গণ্যমান্য কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঋতু আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার আসামি মালতি রানীকে বাদী করে খিলগাঁও থানায় ২৮ নভেম্বর একটি মিথ্যা মামলা করেন। আসামি রঞ্জন মণ্ডল ও মালতি রানী মণ্ডল ঋতুর মা সাথী বেগম ও ফুফু মনিকে বাসায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয়। বাদী উপায় না দেখে খিলগাঁও থানায় জিডি করেন। মানববন্ধনে আসামিদের নানাবিধ অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে এজাহারভুক্ত আসামিসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
খিলগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঋতু আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর আসামিরা আÍগোপনে থাকে, পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছে। এই মামলার তদন্তে পুলিশ কোন ধরনের শিথিলতা দেখায়নি। একটি মহল আসামিদের পক্ষ নিয়ে ঋতুর আত্মহত্যার ঘটনাটিকে হিন্দু মুসলমানের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বলে প্রচার করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তিনি ইস্টপয়েন্ট স্কুলের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।”
(http://bit.ly/2zLY0W1http://archive.is/UHCzo)
আশাকরি বুঝতে পারছেন, যে কোন সাধারণ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রংচং দেয়া এই রবীন্দ্রঘোষের কাজ। এরপর ক্যামেরা দিয়ে সেই দৃশ্য তুলে বিদেশীদের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে বিপদে ফেলে, বিনিময়ে লাভ করে কানাডীয় ডলার।






========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

উস্কানির জন্য প্রথম দায়ি কে ?


মানববন্ধন বলতে আমরা বুঝি অহিংস প্রতিবাদ। কিন্তু সেই অহিংস প্রতিবাদের মধ্যে যারা ত্রিশূল অস্ত্র নিয়ে আসে, তখন বুঝতে হবে তারা আসলে অহিংসা চায় না, চায় হিংসা।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, রংপুরের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনের সময়ে হাতে ত্রিশূল নিয়ে এসেছে হিন্দু সম্প্রদায় ((http://bit.ly/2zRV6g6http://archive.is/EbhE1)। শুধু এবারই নয়, বিভিন্ন সময় ত্রিশূল হাতে হিন্দু সংগঠনের নেতারা ফেসবুকে ছবি আপলোড করে (http://bit.ly/2zd8j66), অনেকে তো ঘরে ঘরে ত্রিশূল মজুদ করতে এবং মুসলমান আসলে তাদের প্রদর্শণ করতে পরামর্শ দেয় (http://bit.ly/2yOKk9x)।
ছবিতে আরো দেখতে পাচ্ছেন, অপরাধী ও উস্কানিদাতা টিটুকে নির্দোষ দাবি করে হিন্দু সংগঠনগুলো তার মুক্তি চাচ্ছে। এ ধরনের দাবি হলে বুঝতে হবে ঐ উস্কানিদাতা আসলে তাদেরই সদস্য এবং তাদের এজেন্ডা অনুসারেই এ ধর্ম অবমাননা করেছে।
অনেকে হয়ত হিন্দুদের সাথে মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলেন। কিন্তু হিন্দুদের আচরণ কখনই বলে না, তারা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চায়। বরং তারা কোন বিদেশী গোষ্ঠী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করছে। অন্তত তাদের আচার-আচরণ সেটাই নির্দেশ করে।
অনেক সেক্যুলার হয়ত বাংলাদেশের হিন্দুদের ইনোসেন্ট বানাতে চাইবে। হয়ত বলবে ভারতে তারা সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয় এটা ঠিক, কিন্তু বাংলাদেশে তারা ইনোসেন্ট। কিন্তু আপনি যাই বলেন- বাংলাদেশের হিন্দু নেতারা নিয়মিত ভারতীয় সেসব উগ্রবাদী নেতাদের সাথে মেশামেশি করছে। বাংলাদেশীরা ভারতে যাচ্ছে, ভারতীয়রা বাংলাদেশে আসছে। (http://bit.ly/2Aa7qLJ) ভারতে সাম্প্রদায়িক উস্কানি হচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে ওদের বন্ধুরা দিবে না, এটা তো হতে পারে না।
আমার মনে হয়, বাংলাদেশের মুসলমানদের হিন্দু সম্প্রদায় নিয়ে নতুন করে ভাববার সময় এসেছে। ৪৭ এ পূর্ব পাকিস্তান তৈরী হয়েছিলো শুধু মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য। কিন্তু সে সময় কিছু শূদ্র শ্রেণীকে রাখা হয়েছিলো রাস্তাঘাট-টয়লেট পরিস্কার আর মর্গের লাশ কাটার জন্য। ইতিহাস বলে, মুসলমানদের শেষ নবী বিদায় বেলায় বলে গিয়েছিলেন, মূর্তি ও অগ্নিপূজকদের যেন আরব থেকে বের করে দেয়া হয়। নবীর সেই শেষ আদেশ পালন করেছিলো মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর। তিনি সবাইকে বের করে দিলেও আবু লুলু নামক এক মূর্তিপূজককে রেখেছিলেন তার অস্ত্র তৈরীর জন্য। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়, ঐ আবু লুলু-ই শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় খলিফাকে হত্যা করে। ইতিহাস পূনরাবৃত্তি হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু মুসলমানরা সেটা থেকে শিক্ষা নেবে কি না, সেটা কথা।


========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

এসব হিন্দু নেতারাই বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জ্বাল বুনছে


গত ১-২ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশের হিন্দু নিয়ে একটি সমাবেশ হয়। সমাবেশে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন হিন্দু নেতা উপস্থিত ছিলো।
বাংলাদেশীদের মধ্যে ছিলো-
১) উষাতন তালুকদার এমপি, পাবর্ত চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
২) অরুণ কুমার দত্ত, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু অধিকার ঐক্য, টরেন্টো, কানাডা
৩) রবীন্দ্র ঘোষ, ঢাকা সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবি, প্রেসিডেন্ট- বাংলাদেশ মাইনোরিটি ওয়াচ, ইউরোপ । মার্কিন ইহুদী রিচার্ড বেনকিনের সাথে সম্পর্কযক্ত। (https://goo.gl/1Cghho)
৪) অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ। সিনহার বন্ধু এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করার প্রধান আইনজীবি।
৫) গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, বাংলাদেশ হিন্দু জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
৬) পিনাকি দাস, জয়েন্ট সেক্রেটারি, সনাতন ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন।
৭) শিতাংসু গুহ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এ সংগঠনটিকে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ চালায় বলে দাবি করা হয়। (http://bit.ly/2AXGGLIhttp://archive.is/Ebebn)
৮) সুকৃতি মণ্ডল, সম্পাদক এই বেলা ডট কম। সাধারণ সম্পাদক – মোসাদ সম্পৃক্ততায় যে নতুন হিন্দু রাজনৈতিক দল বিএমজেপি খুলেছে।
৯) রিপন দে, যুব হিন্দু মহাজোট, ঢাকা
১০) গর মৈত্যি, বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র
১১) চৈতি দাস, ঐক্য পরিষদ, ব্রিটেন।
ভারতীয়দের মধ্যে ছিলো-
-তথাগত রায়, গর্ভনর ত্রিপুরা
- দিলীপ ঘোষ, বেজেপি পশ্চিমবঙ্গ
- সুধেন্দু মোহন তালুকদার, ভারতীয় গণপরিষদ আসাম
আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো, আপনারা সবাই এসব হিন্দু নেতাদের নামগুলো তুলে রাখুন। এরাই বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জ্বাল বুনছে। আমি নিশ্চিত আগামীতে বাংলাদেশে যত অরাজকতা হবে, সেগুলোর কলকাঠি নাড়বে এই লোকগুলো। তাই সাবধান।



========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

দেশে কি হিন্দুরা একটি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়েই ছাড়বে ?


পোর্টালের নাম এইবেলা ডট কম, সম্পাদকের নাম সুকৃতি মণ্ডল। কিছুদিন আগে মোসাদ সদস্য শিপান কুমার বসু ও ইসরাইলি নাগরিক মেন্দি সাফাদির সাথে মিটিং করে নতুন রাজনৈতিক দল খুলেছে, যার নাম- বিএমজেপি। (http://bit.ly/2zL5AQG)

গতকালকে ‘এই বেলায়’ একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে, যার শিরোনাম- “চিতলমারীতে একটি হিন্দু বাড়ি পুড়িয়ে দিল ফারুক শেখ”, অর্থাৎ এক মুসলমান হিন্দুবাড়িতে আগুন দিয়েছে।

খবরটি পড়ে জানা যায়- বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি হিন্দু পরিবারকে বাড়ির ভেতর তালাবদ্ধ করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ফারুক শেখ নামক এক ব্যক্তি আগুন দেয়। খবরের ভেতরে বলা হচ্ছে- দীর্ঘদিন ধরে ফারুক শেখ নামক এক ব্যক্তির সাথে ঐ হিন্দু দম্পত্তির জমি-জমা নিয়ে মামলা –মোকাদ্দমার দ্বন্দ্ব চলছিলো, তবে খবরের ভেতরে ফারুক শেখ ভিন্ন অন্য কোন অভিযুক্তে নাম পাওয়া যায় না। (সূত্র:http://bit.ly/2zJsKHphttp://archive.is/JEqsI)
খবরটি হুবুহু কপি করে প্রিয়া সাহা নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাস দেয়ার পর তা সাড়ে ছয়শ’ বার শেয়ার হয়েছে (http://bit.ly/2iqjldS)

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে, আমি আরো কয়েকটি পোর্টালে নিউজটি সার্চ দিলাম। কিন্তু পেলাম ভিন্ন কিছু তথ্য-
দৈনিক কালেরকণ্ঠ, নয়াদিগন্ত ও ঢাকা টাইমের খবর পেলাম-
আগুন দেয়ার ঘটনায় শুধু ফারুক শেখকেই অভিযুক্ত করা হয়নি, করা হয়েছে নরেশ গোসাই নামক এক হিন্দুকেও। কারণ ফারুখ শেখ ও নরেশ গোসাই উভয়ের সাথেই তাদের দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকাদ্দমা চলছিলো। ঘটনা ঘটার পর ঐ হিন্দু দম্পত্তি ফারুখ শেখ ও নরেশ গোসাই উভয়ের দিকেই সন্দেহের তীর ছুড়ে দেয়। (দৈনিক কালেরকণ্ঠ-http://bit.ly/2zNcjcL, নয়াদিগন্ত-http://bit.ly/2jzTSlo, ঢাকা টাইমস-http://bit.ly/2A82lnb)

প্রথম কথা হচ্ছে- এখানে অভিযুক্ত হিসেবে দাবী করা হচ্ছে নরেশ গোসাই ও ফারুক শেখ নামক দুইজনকে। কিন্তু ‘এই বেলা ডট কম’ প্রচার করার সময় নরেশ গোসাইয়ের নামটা পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধু ফারুক শেখের নামটা প্রচার করেছে।

দ্বিতীয় কথা হচ্ছে- বলা হচ্ছে ‘হিন্দুদের বাড়ি পোড়ানো হয়েছে’, কিন্তু মূল ঘটনা জমি-জমা সংক্রান্ত । বাংলাদেমের জমি-জমার জের ধরে বহু মুসলমানের বাড়িঘর পুড়ানো হয়, হতাহতের ঘটনাও ঘটে। তবে কি নিউজ হবে- “মুসলমানের বাড়িতে আগুন” ?


তৃতীয় কথা হচ্ছে, পুরো ঘটনাটি সন্দেহজনক। কেননা মামলা মোকাদ্দমা চললে একপক্ষ অন্যপক্ষকে ফাঁসাতে এমন ঘটনা ঘটায়। সেক্ষেত্রে ‘ফারুক শেখ হিন্দুর বাড়ি পুড়িয়েছে’- এমন সত্যতা পাওয়া যাবে তখনই যখন মামলার তদন্ত রিপোর্ট আসবে। কিন্তু তার আগেই এ ধরনের উস্কানিমূলক খবর করা অবশ্যই ধর্মীয় বিভেদ উস্কে দেয়ার উদ্দেশ্যে।

আমি প্রশাসন ও গোয়েন্দা বাহিনীর প্রতি আহবান করবো- এ ধরনের ধর্মীয় বিভেদ উস্কে দেওয়ার খবর করার জন্য অবশ্যই মোসাদ সংশ্লিষ্ট সুকৃতি মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হোক। নয়ত এসব খবর দিয়ে নতুন করে রংপুরের ঘটনার সূচনা হবে। তখন কিন্তু বলতে পারবেন না, আপনারা জানেন না। তাই শুরুতে এসব ঘটনা দমন করা হোক। আপনাদের জানা থাকার কথা, মোসাদ এজেন্ট শিপন কুমার বসু বলেছে- সে নভেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার পতন ঘটাবে। ( http://bit.ly/2xGb8fbhttp://archive.is/fiVrI ) এ সব উস্কানিমূলক খবরের সাথে ঐ ষড়যন্ত্রের কোন যোগাযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

একই সাথে আমি বাংলাদেশের মানুষকে বলবো-
আপনারা এসব হিন্দু ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সচেতন হউন। আওয়াজ তুলুন। কারণ এরা বিদেশী কানেকটেড হয়ে বাংলাদেশে বড় ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির প্ল্যান করেছে। আমি কিছু আগে বলেছিলাম- “বাংলাদেশের সিরিয়ার মত অবস্থা হতে পারে।” হ্যা সেটার সূচনা কিন্তু হবে ঐ বাংলাদেশের হিন্দুদের মাধ্যমেই। সুতরাং সবাই সাবধান।



========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-----------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজNoyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-----------------------------------------------------------------------
Share:

ধর্মীয় উস্কানিমূলক সিনেমা নিষিদ্ধ করে দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করুন


বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের রাস্তাঘাট ছেয়ে গেছে এক মুভির পোস্টারে-
মুভির নাম- ‘বলো দুগ্গা মাই কি’।
কলকাতার মুভি, প্রচারিত হবে বাংলাদেশে।
মুভিটি বাংলাদেশের বিভিন্ন হলে মুক্তি পাবে ১৭ই নভেম্বর।

আমার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ মুভিটি বাংলাদেশে রিলিজ করা মোটেও ঠিক হবে না। কারণ- এ মুভিটির মাধ্যমে বাংলাদেশে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক অরাজকতা সৃষ্টি হতে পারে। ঘটনা দুইভাবে হতে পারে-
১) এই মুভির মাধ্যমে মুসলমানরা কোনভাবে ধর্মীয় আঘাত পেতে পারে, তখন তারা এর প্রতিবাদ করবে পারে। ফলে রংপুরের মত আবার কোন ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আগে থেকেই মুভিটি ব্যান করা ভালো।
২) ‘বলো দুগ্গা মাই কি’- এ্ কথাটা বাংলাদেশে আসলে ভিন্নভাবে উচ্চারিত হতে পারে। কথায় বলে- ‘কোন দেশে গালি, কোন দেশে বুলি ‘ মুভির নামটা একটু চেঞ্জ করে উচ্চারিত করলে বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করলে, এর দ্বারা হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দাবি করতে পারে- মুসলমানরা তাদের ধর্ম নিয়ে অবমাননা করেছে। ব্যস শুরু হয়ে গেলো বাংলাদেশে ধর্মীয় অরাজকতা। সেখান থেকে শুরু হবে মারামারি-কাটাকাটি।

রংপুরের ঘটনায় শুরুতেই যদি, টিটু রায়কে গ্রেফতার করা হতো, তবে ঘটনা এতদূর গড়াতো না্। কিন্তু সেটা না করে, ঘটনা ঘটতে দেয়া হয়েছে। ঠিক একইভাবে এই সব ধর্মীয় উস্কানিমূলক সিনেমা যদি প্রথমেই বাংলাদেশে বন্ধ করে দেয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অরাজকতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

একই সাথে বলবো-
এখন যদি ‘সবাই বলো আল্লাহু আকবর’- নামে কোন মুভি রিলিজ হতো, তবে এতদিন বাংলাদেশের মিডিয়া চিল্লাপাল্লা শুরু করে দিতো। কিন্তু ‘বলো দুগ্গা মাই কি’ নামক মুভি বের হওয়ার পর তাদের মুখে কোন কথা শোনা যাচ্ছে না। রংপুরে ৭ দিন ধরে হাজার হাজার মুসলমান আন্দোলন করলো সেটা মিডিয়া দেখলো না, কিন্তু যখনই আগুন ধরলো ব্যস মিডিয়া লাইভ চলে আসলো, একের পর এক মুসলমানদের দোষারোপ করে নিউজ করলো। অথচ তারা যদি আগেই বিষয়টি নিয়ে সচেতনতামূলক নিউজ করতো, তবে অরাজকতা আগেই বন্ধ করা সম্ভব ছিলো। আসলে, বাংলাদেশের মিডিয়াকে কখনই বিশ্বাস করা যায় না, এরা বিদেশী ‘খাম’ পেয়ে একপেশে আচরণ করে ধর্মীয় সংঘাত উস্কে দিচ্ছে।

আমি বাংলাদেশের সরকার, প্রশাসন, গোয়েন্দা ও পুলিশ বাহিনীকে বলবো,
“এই ধরনের ধর্মীয় উস্কানিমূলক সিনেমা নিষিদ্ধ করে দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করুন। একই সাথে এর পেছনে কোন গোষ্ঠী বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে নাকি সেটাও খতিয়ে দেখা জরুরী।”




===========================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
----------------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
----------------------------------------------------------------------------
Share:

আজকে আপনাদেরকে খুব সিরিয়াস কয়েকটা কথা বলবো, সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনবেন।

আমার কাছে যে তথ্য এসে পৌছেছে, তাতে নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে বড় ধরনের একটা অরাজকতা হবে। এই সময়টা আগামী ৬ মাসের মধ্যেই। দেশে সে সময় যে বিশৃঙ্খলতা হবে সেটা অনেকটা সিরিয়ার সাথে তুলনা করা যাবে। সে সময় ব্যাপক রক্তপাত হবে, মানুষ মারা যাবে, অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে হবে। সে পরিস্থিতি আসার আগে, মুসলমানদের কিছু প্রস্তুতি দরকার আছে। আজকে আমি আপনাদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিবো, আপনারা সবাই মনে রাখবেন।
১) আমার এ পেইজে অনেক ইসলামী দলের নেতা কর্মীরা আছেন। আমি এও জানি এরা সবাই বয়সে জুনিয়র। দল চলে সিনিয়রদের কথায়, যারা সমসাময়িক ধারাবাহিকতা রেখে কাজ করেন। অনেকের বয়স এত বেশি যে ফেসবুকে কে কি লিখলো, সেটা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি আপনাদের অনুরোধ করবো, আপনারা আপনাদের শীর্ষ নেতাদের এইসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারগুলো বুঝান। তাদের সব বিষয়ে অবহিত করুন।
২) মুসলমানদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। কেউ টুপি ছোট পড়ে, কেউ টুপি বড় পরে। কেউ আমিন জোরে বলে, কেউ আমিন আস্তে বলে। কেউ মিলাদ পরে, কেউ মিলাদ পরে না। আপনারা দয়া করে প্রত্যেকে প্রত্যেক দলের নেতাদেরকে বুঝান, এই সব নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করার সময় এখন নয়। আপাতত সবাই যেন এই সব বিষয়ে ঝগড়া থামিয়ে দেয়। যে যার মত ধর্ম পালন করুক, আপানারা কারো পক্ষে বইলেন না, বিরুদ্ধেও বইলেন না। মতপার্থক্য ইস্যুতে আপাতত সবাই যেন চুপ থাকে। মুসলমানরা এখন দলমত নির্বিশেষে নিজেদের মধ্যে এক থাকুন এবং শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ুন। তবে যারা আপনাদের কথা না শুনে এই দ্বন্দ্ব চালিয়ে যাবে- তাদের প্রকাশ্যে ভৎর্সনা করুন, দল থেকে পৃথক করে দিন।
৩) ধর্মীয় নেতাদের পাশাপাশি, মুসলমানদের মধ্যে আরেকটি কথিত শিক্ষিত শ্রেণী আছে যারা সেক্যুলারিজম, মানবতা ইত্যাদির দোহাই দিয়েও বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালাবে। এদেরকেও ভৎর্সনা করুন। পৃথক করে দিন।
৪) মুসরমানরা এক থাকার সাথে সাথে দৃঢ় থাকারও চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন- কোন একটি ঘটনা ঘটলে মৃত্যু বা রক্তপাত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা দেখে ভয় পেয়ে পালিয়ে গেলে চলবে না, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে। এতে ১০ জনের স্থলে ১০০ জনের লাশ পরতে পারে। কিন্তু এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, মুসলমানদের জনসংখ্যা অনেক বেশি। মনে রাখবেন, এই ১০০ জনের লাশের কারণে ১০ কোটি লোক সেভ হবে। সুতরাং ১০০টি লাশ দেয়ার মনমাসনিকতা থাকতে হবে।
৫) খুব সহজে অন্যের কথায় বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না। মনে রাখবেন বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু মিডিয়া। এই মিডিয়ার কাজ হচ্ছে সবাইকে বিভ্রান্ত করা। এই মিডিয়ার খপ্পর থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।
আপাতত এতটুকুই থাক। আরো কিছু মনে হলে পরে জানাবো। তবে আমার পেইজ যে কোন সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যাকআপ পেইজ খোলা আছে সেটাতে দেখবেন। সেটাও যদি বন্ধ হয়ে যায় আমার ওয়েবসাইট আছে সেটা দেখবেন। সেটাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অনেকে ফেক পেইজ খুলে বিভ্রান্ত করতে চেষ্টা করবে, সেটা সম্পর্কে সচেতন থাকবেন। আমি জানি, আমার পেইজ যারা পড়েন, বাংলাদেশের সবচেয়ে সচেতন মুসলিম এবং তাদের জ্ঞান সাধারনের তুলনায় অনেক উচ্চ। আমার পেইজ যদি কোন কারণে নাও থাকে, তবে একটি কথা মনে রাখবেন- দেশ ও জাতির কোন বিপদে আপনাদেরকেই অগ্রগামী ভূমিকায় থাকতে হবে, দায়িত্ব তুলে নিতে হবে নিজ কাঁধে।


======================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
-------------------------------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-------------------------------------------------------------------------------------------
Share:

মুসলমাদের সময় খুব কম। বাঁচতে চাইলে দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করুন

ধরুন,
আপনার বাবা ও পাশের বাড়ির প্রতিবেশীর মধ্যে মারামারি লেগেছে।
আপনার বাবা তাকে মেরেছে, প্রতিবেশীও আপনার বাবাকে মেরেছে।
এখন আপনি কাকে সমর্থন করবেন ? কার পক্ষে কথা বলবেন ?
আপনার বাবার পক্ষে ? নাকি প্রতিবেশীর পক্ষে ?
নাকি বাবা ও প্রতিবেশীর মধ্যে তুলনা করবেন, ন্যায়-অন্যায় বিচার করে পক্ষ নিবেন ?
আমি জানি- আপনি আপনার বাবা’র পক্ষই নিবেন।
কারণ- আপনার বাবা দোষ করুক, আর ভালো করুক- সে আপনার বাবা।
একই সাথে-আপনি আপনার বাবার কাছেই প্রতিপালিত। সে সব কিছু দিয়ে আপনাকে লালন-পালন করেছে, সুতরাং তার একটি প্রতিদান আছে।
অথবা আপনি যদি আপনার বাবার বিরুদ্ধে যান, তবে আপনার বাবা আপনাকে ত্যাগ করবে।
এতে যদি কখন প্রতিবেশী আপনারও বিরুদ্ধে যায়, তখন আপনার বাবা-ই আপনাকে শেল্টার দিবে।
বাস্তবতা হচ্ছে, পুরো লাভ-ক্ষতির হিসেব আনকনসাস মাইন্ডে করে আপনি আপনার বাবা’রই পক্ষ নেন। (গাড়ি চালকের সামনে কোন মানুষ আসলে সে চিন্তা না করেই ব্রেকে চাপ দেয়, কারো চোখের সামনে হাত গেলে সে কিছু চিন্তা না করেই চোখ বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনাগুলো ব্রেনের আনকনসাস মাইন্ড থেকে হয়।)
ঠিক একইভাবে চিন্তা করুন-
আপনার মুসলিম সমাজ ও হিন্দু সমাজ মারামারি লেগেছে।
দু’জন দু’জনকে মেরেছে।
এখন আপনি কার পক্ষ নিবেন ?
স্বাভাবিকভাবে যেটা দেখা যায়- মুসলিমরা অতি ভদ্র সেজে, নীতিবাক্য মেরে ন্যায়-অন্যায় বিচার করা শুরু করে দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হিন্দুত্ববাদী মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধ যায়, হিন্দুর পক্ষ নেয়।
কিন্তু সে একবারও ভাবে না-
১) হিন্দু সমাজের পক্ষ নেয়ায় সে মুলত তার প্রতিপালনকারী মুসলিম সমাজের উপর আঘাত করলো।
২) দ্বন্দ্বের সময় মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে যাওয়ায়, সে মুসলিম সমাজ থেকে চ্যূত হয়ে গেলো।
৩) মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে গেলেও, হিন্দু সমাজ কি সুযোগ পেলে তাকে ছেড়ে দিবে ?
৪) কখন যদি ঐ হিন্দু সমাজ তার উপর হামলা করে তবে মুসলিম সমাজের থেকে কি সে কোন সাহায্য পাবে ?
কয়েকদিন আগে মায়ানমার থেকে যখন রোহিঙ্গা তাড়ানো হচ্ছিলো- তখন বার্মীজ সেনাপ্রধান এক ভাষণে বলেছিলো- “রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” এবং দেখা যায়- রোহিঙ্গা বিতাড়নে পুরো বার্মীজ জাতি ঐক্যবদ্ধ ছিলো। বিষয়টি দৃশ্যত অন্যায় হলেও, তাদের একত্রিত থাকার সুফল কিন্তু তারা পেয়েছে। সারা বিশ্ব তাদের এই গণহত্যার জন্য নিন্দা জানিয়ে লাভ হয়নি, যেহেতু তারা জাতিগতভাবে বিষয়টিতে এক হয়েছে, তাই কেউ তাদের কিছু করতে পারে নাই। অর্থাৎ জাতিগতভাবে কোন কিছুর উপর দৃঢ় হলে সেখানে প্রতিপক্ষ ঢোকার সুযোগ পায় না।
আমি দেখেছি, বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে জাতিগত দৃঢ়তার থেকে ভালো-মন্দ যাচাই করার প্রবণতা খুব বেশি। এবং যেহেতু তাদের ভালো-মন্দের ভিত্তি হচ্ছে মিডিয়া, সুতরাং তাদের বিভ্রান্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রকৃতপক্ষে মুসলিমরা এই ভালো-মন্দ বিচার করতে গিয়ে আসলে নিজ জাতির গোড়ায় কুড়াল মারছে। এবং সেই আঘাতে আলটিমেটলি সে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হিন্দু-মুসলিম যদি একটা গন্ডগোল লাগে এবং তখন যদি মুসলমানদের অবস্থা শক্তিশালী না হয়, তবে সে নিজেও কি বঙ্গোপোসাগরে নামার
তালিকা থেকে বাদ যাবে ? অবশ্যই না।
আমি মুসলিম সমাজকে বলবো- আপনাদের সময় কিন্তু খুব কম। বাঁচতে চাইলে দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করুন।
আপনার বাবার স্থলে আপনার ধর্ম ও জাতিকে প্রতিস্থাপন করুন।
ব্যস, এবার বাবা-প্রতিবেশীর দ্বন্দ্বে যেভাবে পক্ষ-বিপক্ষ নিতেন
ঠিক একইভাবে মুসলিম-হিন্দু সমাজ দ্বন্দ্বে মাইন্ডে পক্ষ-বিপক্ষ নিন।
দেখবেন সব হিসেব মিলে যাবে।


======================================
আমার ফেসবুকের মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

-------------------------------------------------------------------------------------------
আমার ফেসবুকের ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
-------------------------------------------------------------------------------------------
Share:

জনপ্রিয় লেখা সমূহ

ট্যাগ সমূহ

আর্কাইভ

সাম্প্রতিক পোস্ট