আওয়ামীলীগের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণ বিরোধীদলগুলোর রাজনৈতিক ভুল

আমার দৃষ্টিতে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হওয়ার পেছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক ভুল অবস্থান কাজ করেছে। এবং এখনও যদি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের শুধরে না নেয়, তবে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা আরো অধিক পরিমানে দীর্ঘায়িত হতে পারে।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম বলতে আমার শুধু আওয়ামী সরকারের বিরোধীতাই মনে হয়েছে। কিন্তু নিজেদের কোন অবস্থান তারা তৈরী করতে পারেনি। এই নিজস্ব অবস্থানের অভাবের কারণে কোন বড় আন্দোলনে তারা ফিল্ড পর্যায়ে পাবলিকের সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং এ কারণেই খুব সহজেই আওয়ামী সরকার তাদের দমন করে কোনঠাসা করে দেয়। আবার জনসাধারনের আন্দোলন, যেগুলো মানুষকে কঠিনভাবে নাড়া দেয় তা বিরোধী দলগুলো এড়িয়ে গেছে, এতেও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা তারা পায়নি।
আবার আমি বিরোধীদলগুলোর এমন কিছু ইস্যু দেখেছি, যেগুলোকে আমার মনে হয়েছে শুধু বিরোধীতা করার জন্য বিরোধীতা। এ ধরনের বিরোধীতা করলে গ্রহণযোগ্যতা হারাতে হয়। যেমন- “শেখ সাহেব রাজাকার ছিলো, ‘শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ হিন্দু ছিলো’, এই টাইপের। কিছুদিন আগে এক টকশোতে দেখলাম- এ বিরোধীদলীয় লোক আওয়ামীলীগের একজনকে ঝাড়ছে ‘রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দেয়ার জন্য’। আমি বুঝলাম না, বিষয়টি। দো-টানা টাইপের অবস্থানের জন্য মানুষ গুরুত্বহীন হয়ে যায়।
তাহলে উপায় কি ?
শুধু বিরোধীতা নয়, উপযুক্ত সমাধান দিতে হবে। ফেসবুক পেইজগুলো ঘুড়ে দেখুন, অসংখ্য পেইজে অসংখ্য সাধারণ মানুষ সরকারের কাজের সমালোচনা করছে, এটা খুব কঠিন কাজ নয়। কিন্তু সমাধান দেয়ার লোকের অভাব। একটি রাজনৈতিক দল থেকে নিশ্চয়ই প্রত্যাশা আরো বেশি।
১) শুধু সমালোচনা নয়, নিরপেক্ষ সমাধান দিন এবং সরকারকে সমাধান করতে বলুন।
২) ভালোর কোন শেষ নেই, সরকার যতটুকু করবে, তারপর আরো ভালো করতে বলুন। সরকার যদি অধিক ভালো করতে ফেইল হয়, তখন বলতে পারবেন, তবে আমাকে ক্ষমতা দিন আমি অধিক ভালো করে সবাইকে দেখিয়ে দেই।
৩) ওবামা ক্ষমতায় আসার আসে তার শ্লোগান ছিলো- “উই নিড চেঞ্জ”। বাংলাদেশের কতটুকু চেঞ্জ তরুণ প্রজন্ম দেখতে চায় ? বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান। আসছে নির্বাচনে সেই ‘চেঞ্জ’ করার ঘোষণা দিন। এবং সেটা কত উচু পর্যায়ের হতে পারে সেটা সম্পর্কে ধারণা দিন।
৪) আওয়ামীলীগ ধর্মকে এড়িয়ে চলে, বিরোধীদলগুলোর জন্য সেটা ছিলো উপর্যক্ত সুযোগ। রাষ্ট্রধর্ম, পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন সাধারণ মানুষের তৈরী এই ইস্যুগুলোতে বিরোধীদলগুলোর কোন অবস্থান দেখাতে পারেনি।
৫) আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘এন্টি ইসলাম’ একটি বিরাট ফ্যাক্টর। পাশ্ববর্তী ভারত, মায়ানমারে তা স্পষ্ট। এ অবস্থায় ‘মুসলমানদের পক্ষে’ অবস্থান নেয়া কোন বুদ্ধিমান রাজনৈতিক দলের উত্থ্যান হলে তা ব্যাপক জনসমর্থন পেতে পারতো।
৬) আওয়ামীলীগ বিদেশী লবিং করে ক্ষমতায় আসতে চায়, আপনারা জনগণের লবিং করুন, আপনারাও কেন বিদেশী লবিং খুঁজেন ? হয়ত বলতে পারেন- “ভাই নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে প্রচুর ভোট পাবো।” না না। এতটুকু নয়। যারা এখন সমর্থন দিবে, তার থেকে ঢের বিরাট গোষ্ঠী আছে। ঐ বিরাট গোষ্ঠীটিকে কাছে পেলে আওয়ামী সরকার বানের জলের মত ভেসে যাবে। ঐ গোষ্ঠীটিকে কাছে টানুন। নির্বাচনের আগে এমন প্রতিশ্রুতি দিন, যেন আওয়ামী সদস্যও আওয়ামীলীগ থুয়ে গোপনে আপনাকে ভোট দিয়ে যায়।
মনে রাখবেন চেঞ্জ সবাই চায়। কিন্তু উপযুক্ত ব্যাখ্যা ও অবস্থান কেউ দিতে পারে না। নির্বাচন আসতে ১ বছর আছে। এই বাকি সময়টা শুধু রাজনীতি রাজনীতি না করে পাবলিকের দিকে ঝুকেন। ইন্টারনেট-স্যাটেলাইনের যুগে সবাই দেশ-বিদেশ দেখছে। পাবলিক সর্বোচ্চ কোনটা চাচ্ছে সেটা ছড়িয়ে দেন, ক্ষমতায় আসলে সেটা করার প্রতিশ্রুতি দেন। দেখবেন আওয়ামীলীগের অবস্থান দুর্বল হতে বাধ্য।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

এভ্রিল নামের টাউট মেয়েটির সামান্য পরিচিতির জন্য অপশক্তিগুলো তাকে ব্যবহার করতে চাইবে

video


সন্তানসম্ভাবা অবস্থায় স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে, পিতা-মাতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছিলো মেয়েটি। প্রেমিক তো স্বামী নয়, তাই মেয়ের দায়িত্ব মেয়েকেই নিতে হয়েছে। থাকা খাওয়ার জন্য বহু স্ট্র্যাগল করেছে মেয়েটি। সত্য-মিথ্যা বলে, এদিক-ওদিক ধান্ধাবাজি করে থেকেছে।
মেয়েটিকে দেখলে আমার কষ্টই লাগে। মেয়েটি নিজেকে খুব বুদ্ধিমান ভাবে, কিন্তু তার থেকে আরো অনেক বুদ্ধিমান লোক তার চালাকি ধরে ফেলছে এটা সে বুঝতে পারে না। খুব সিম্পলই মিথ্যা বলে মানুষকে ধোকা দিতে চায়, কিন্তু সবকিছু করার জন্য নূণ্যতম যে যোগ্যতা দরকার সেটা তার নেই। তারপরও শুধুমাত্র ধান্দার জন্য সে অবিরত মিথ্যা বলে ও উচ্চ প্রত্যাশা করে। কোন রকম হাতরে উপরে ওঠার খুব ইচ্ছা। স্বামী-সংসার বিচ্ছিন্ন হয়ে একা একা যেভাবে সত্য-মিথ্যা বলে ধান্ধা করে চলেছে, এখনও ভাবে মিডিয়ার সামনে কোটি কোটি মানুষের সামনে মিথ্যা বলে পার পেয়ে যাবে।
আমি জানি, তার এই সামান্য পরিচিতির জন্য অপশক্তিগুলো তাকে ব্যবহার করতে চাইবে। আমি সেই অপশক্তিগুলোকেও বলবো- আপনাদের অপ কাজ করার মত নূন্যতম বিশ্বাসযোগ্যতা মেয়েটির মধ্যে নেই। তার টাউট স্বভাবের দরুণ আপনাদেরকেও সে ধোকা দেয়ার চেষ্টা করবে।


------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

এরা নামে মুসলমান।


কিন্তু কখন হিন্দুদের পূজায় গিয়ে হিন্দু, কিংবা বৌদ্ধদের পূজায় দিয়ে বৌদ্ধ। আচ্ছা, এসব রাজনীতিবিদদের আসল ধর্মটা কি ?
Share:

বাংলাদেশের জনগণের কোন নীতি নাই দেখে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোরও কোন নীতি নাই।

যেমন জনগণ, তেমন তার সরকার।
উদহারণ হিসেবে, একটা জিনিস চিন্তা করুণ-“অর্পিত সম্পত্তি আইন”।
শেখ হাসিনা এ আইন পাশ করাতে পুরো দেশের ১/৪ অংশ হিন্দুদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। ৫০-৬০ বছর আগে বিদেশে চলে যাওয়া হিন্দুরা এখন বাংলাদেশে জমি চাওয়া শুরু করছে। অর্পিত সম্পত্তি আইন এমন একটা আইন যেটা ভারতও দেয় নাই, পাকিস্তানও দেয় নাই। মাঝখান দিয়ে বাংলাদেশ দিয়ে দিছে।
এখন আপনি এটার বিরুদ্ধে বলেন। দেখবেন লাভ হবে না। বাংলাদেশের অনেক মুসলমান দাড়িয়ে বলবে- “ভাই হিন্দু সম্পত্তি দখল করতে চান। তাদের সম্পত্তি তাদের ফিরিয়ে দেন।”
আহারে কত বড় সাধু বাবা।
এই মুসলমানরা মূল বিষয়টা বুঝতেই চাবে না। বুঝতে চাইবে না- যে হিন্দুরা জমি রেখে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলো, তার বদলে অনেক মুসলমানও ঐ দেশ থেকে বাংলাদেশে এসেছিলো। অদল-বদল হয়েছে। ঐ স্থানে মুসলমানরা যে জমিগুলো ফেলে এসেছিলো তা তো ভারত ফেরত দেয়নি। তাহলে বাংলাদেশের জমিগুলো কেন ভারত থেকে আসা হিন্দুদের ফেরত দিতে হবে ?
এই বিষয়টা বুঝতে এত বেশি জ্ঞানের কিন্তু প্রয়োজন নাই। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের মুসলমানরা সেটা নিয়ে কোন কথা বলবে না। আপনি কথা বলবেন, তারা আপনাকে চুপ করিয়ে দেবে। বাংলাদেশের মুসলমানরা যদি বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন করতো, তবে সরকার এ ভয়ঙ্কর আইন পাশ করার সুযোগই পাইতো না।
আপনাদের মনে থাকার কথা- দেবোত্তর সম্পত্তি আইন নিয়ে ৮৮ বছরের বৃদ্ধ রাগীব আলীকে ১৪ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। ঐ সময় আমি বিষয়টি নিয়ে অনেক লেখালেখি করেছিলাম। স্থানীয়দের সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে জানিয়েছিলাম- রাগাবী আলী ঐ লোকের থেকে জমি ক্রয় করে। দোষী ঐ হিন্দু। কিন্তু তারপরও ফাসানো হলো রাগীব আলী। বাংলাদেশের মুসলমানদের অধঃপতন এত জঘন্য যে- রাগীব আলী জনকল্যানে ২ হাজার প্রতিষ্ঠান করেছে সেটার কোন মূল্য তাদের কাছে নেই, এক হিন্দু জমি দখল (!) করেছে, এটা নিয়ে দাড়ি-টুপি ওয়ালা মুসলমানরা ছিঃ ছিঃ করতে থাকলো। আমি ঐ সময় বলেছিলাম- এ ঘটনার আড়ালে দুইজন কুচক্রী আছে- এক- প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, অপরজন- সম্প্রতি হিন্দু রাজনৈতিক দল বানানো মিঠুন চৌধুরী। এখন অনেকই জানে ঐ দুইজন খারাপ, কিন্তু আমি যখন বলেছি, তখন কেউ বিশ্বাস করেনি। মাঝখান দিয়ে- রাগীব আলী ও তার ছেলে জেলে পচছে। যে জাতি নিজের লোকের জন্য মায়া নাই, সে উন্নতি করবে কিভাবে ?
আসলে বাংলাদেশের জনগণ নিজেরাই জানে না- তারা কি চায় ?
যদি জানতো, তবে কোন একটা ইস্যুতে একত্র হতে পারতো।
কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের কোন নির্দ্দিষ্ট নৈতিক অবস্থান নাই।
অপরদিকে, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলো দিকে তাকান। তাদের নির্দ্দিষ্ট তাত্ত্বিক অবস্থান আছে। সেটা ভুল হোক আর শুদ্ধ হোক। যেমন ধরুন- ভারতে এখন হিন্দুরা আন্দোলন করছে তাজমহল নিয়ে। তাদের দাবি এটা হিন্দুদের মন্দির। সবাই জানে, ইতিহাস সাক্ষী- এটা কে করেছে। কিন্তু তারপরও তারা মানতে নারাজ। মোঘল বাদশাহ শাহজাহান যে খুব ধার্মীক ছিলো সেটা না, কিন্তু সে ‘মুসলমান’ এটুকু পরিচয় হিন্দুদের জন্য যথেষ্ট। তারা কিছুই তো মানবে না।
আপনার দৃষ্টিতে ভারত হয়ত খারাপ, কিন্তু তারা নিজস্ব জাতীয়তাবাদ থেকে ঠিকই উঠে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষও মোদির কোটি কিনছে, হিন্দুত্ববাদী সিরিয়াল গিলছে, ভারতে ঈদের শপিং করতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের মুসলমানদের যে নির্দ্দিষ্ট নৈতিক অবস্থান নাই, এটা গত কয়েকদিন আরো স্পষ্ট হয়েছে- লক্ষীপুরে নামাজের সময় দোকান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে। অনেক মুসলমানকে দেখলাম- ঐ মেয়রের ব্যক্তি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠাতে। সে অমুক খারাপ- তমুক খারাপ এসব বলতে।
কেন ? ঐ মেয়র খারাপ হতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত তো ভালো। সবার উচিত ছিলো ঐ সিদ্ধান্তকে ভালো বলা, মেয়রকে নয়।
হিন্দু পেইজগুলো থেকে সবাই একযোগ পোস্ট দিলো ঐ আইন বাতিল করতে। স্বাভাবিক মুসলিম পেইজগুলো থেকে উচিত ছিলো- পুরো দেশে ঐ আইন জারির জন্য আন্দোলন করার জন্য। কিন্তু উল্টো মুসলিম পেইজগুলো মেয়রের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কাটাকুটি শুরু করলো। অথচ সাধারণ মুসলমান ও মুসলিমদলগুলো যদি অ্যাপ্রিশিয়েট করতো, তবে অন্যরাও সেটা দেখে আকৃষ্ট হয়ে নিজ এলাকায় তা জারি করতো। কিন্তু এখন হলো উল্টো। ঐ নিদের্শ বাতিল করতে হলো।
অনেকে সরকারের থেকে ইসলাম চায়।
আমি ঐ লোকগুলোকে প্রশ্ন করবো- আপনি নিজে কি ইসলাম চান ?
আমার মনে হয় না, আপনি ইসলাম চান। আগে নিজে ইসলাম চান, পরে সরকার থেকে প্রত্যাশা করেন।
হিন্দুরা নিজে হিন্দুত্ব চায়, তাই সরকার হিন্দুদের কথা শুনে ও হিন্দুত্ব বাস্তবায়ন করে।
আগে নিজে ইসলামপন্থী হোন, পরে সরকারকে ইসলামপন্থী হতে বলুন।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

পিছা মারি তোর গণতন্ত্রে, আমার দেশ কে রক্ষা করবি বল ?


গতকালকে খালেদা জিয়া দেশে ফিরেছে। খালেদা জিয়াকে অনেকে “মাদার অব ডেমোক্রেসি”, “ফাইটার অব ডেমোক্রেসি” নানান উপাধি দিয়ে ডাকছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বলা হচ্ছে- খালেদা জিয়া নাকি দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। 

আমি জনগণের হয়ে বলতে চাই-
“দরকার নাই বাবা তোমাদের গণতন্ত্রের। তোমাদের গণতন্ত্র নিয়ে তোমরা থাকো। গণতন্ত্র ফিরে আসলে জনগণের কিছু হবে না, মরে গেলেও কিছু হবে না। রাজনীতিবিদদের গণতন্ত্র নামক মুলার পেছনে জনগণ আর দৌড় দেবে না। জনগণ দেখতে চায়- আসছে বিপদে দেশনেতারা কি কি ভূমিকা নিতে পারে। আসছে বিপদ মানে বলতে চাচ্ছি- রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি বিষয় স্পষ্ট- বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায় বিদেশী শকুনীদের চোখ পড়েছে। তারা যেকোন উপায়ে ঢুকবেই। খুব সহজ অর্থে বলতে গেলে- এর আগের টার্মে সুপার পাওয়ার ছিলো সোভিয়েত ইউনিয়ন, আপকামিং সুপার পাউয়ার ছিলো আমেরিকা। দু’জনের দ্বন্দ্ব ছিলো আফগানিস্তান নিয়ে। তাদের দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে আফগানিস্তান। বর্তমানে- সুপার পাওয়ার আমেরিকা, আপকামিং সুপার পাউয়ার চীন। এদের দ্বন্দ্বের কেন্দ্র বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা। স্বাভাবিক সূত্র মতে- বাংলাদেশ হয়ত খুব শিঘ্রই আফগানিস্তানের মত ধ্বংসস্তুপ হতে যাচ্ছে।
এই নির্বাচনে কে ক্ষমতায় আসবে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কারণ তার উপর নির্ভর করছে সে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারবে কি না ?
শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে ফেল মেরেছে। অতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে রোহিঙ্গাদের ফেরত দেয়া তো দূরের কথা, উল্টো এখনও রোহিঙ্গা প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। শেখ হাসিনা এ অঞ্চলটিকে বিদেশী শকুনদের হাত থেকে বাচানোর জন্য কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং যেভাবে চলছে তাদের সামনেও কোন ভূমিকা নিতে পারবে বলে মনে হয় না। আওয়ামী সরকার ঐ সব বিদেশী শকুনদের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ছে, কিন্তু একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের দখলের প্রক্রিয়ায় পরবর্তীর লক্ষ্য ‘বাংলাদেশ’, সেই বাংলাদেশকে বাচাতে অন্য মুসলিমদেশগুলো সাথে ঐক্য করে শক্তিশালী অবস্থানে পৌছানোর কোন লক্ষ্ণ হাসিনা সরকার দেখাতে পারছে না।

এ অবস্থায় খালেদা যদি এমন কোন নির্বাচনী ইশতেহার পেশ করতে পারে- “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের উপর আন্তর্জাতিক কূচক্রীদের হামলা আটকাতে পারবে।” তখন হয়ত তার জণগণের মাঝে একটা বিরাট গ্রহণযোগ্যতা তৈরী হতে পারে। জনগণই তার জন্য আন্দোলন-বিদ্রোহ করে তাকে ক্ষমতায় আনতে পারে। এছাড়া হুদাই ‘গণতন্ত্র’ নামক পুরাতন মুলা দেখিয়ে লাভ নেই।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকার মত একটা শকুনের মধ্যস্থতার ফাঁদে পা দেয়া বাংলাদেশের জন্য মোটেও উচিত হবে না।


আজ থেকে ১৬ দিন আগে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে আমি বলেছিলাম-
“মায়ানমার-বাংলাদেশ সমাঝোতার কথা বলে আমেরিকা ঢুকতে পারে।”
(http://bit.ly/2hEdmRq)

আজকে দেখি খবর এসেছে-
“রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মিয়ানমারকে বাংলাদেশের সাথে আলোচনায় বসাতে যুক্তরাষ্ট্র সবধরনের তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট।”
(http://bit.ly/2gteqLd)

আমার মনে পড়লো, সাবেক কেজিবি এজেন্ট মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বিশারদ আলেক্সন্ডার ব্রেজমেনভ’র কথা। ব্রেজমেনভ কোন দেশ দখল করার জন্য চারটি ধাপ বর্ণনা করেছে।
প্রথম স্টেজ : ডি-মরালাইজেশন বা নৈতিক চরিত্র অবক্ষয়।
দ্বিতীয় স্টেজ : ডি-স্টেবিলাইজেশন বা স্বাভাবিক পরিবেশকে ভেঙ্গে দেওয়া।
তৃতীয় স্টেজ : ক্রাইসিস বা চরম অস্থিতিশীলতা তৈরী করা।
চতুর্থ স্টেজ : নরমালাইজেশন বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার নাম দিয়ে দখল করা।
মিয়ানমারে প্রথম ৩টি স্টেজ অনেক আগেই শেষ। এখন ৪র্থ ধাপ, মানে নরমালাইজেশন বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার নাম দিয়ে ঢুকতে পারে আমেরিকা। আর রাখাইনে আমেরিকা ঢুকলে তা বাংলাদেশের জন্যও বিপদের কারণ।
বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা একটা শকুন, সেই ‘শকুনের মধ্যস্থতার ফাঁদ’এ পা দেয়া বাংলাদেশের জন্য মোটেও উচিত হবে না।


------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

আপনি অসাম্প্রদায়িকতা দেখাবেন ভালো কথা, দুই দিক থেকেই অসাম্প্রদায়িকতা দেখান


আজকে হিন্দু ধর্মের কালী পূজার জন্য বাংলাদেশের সমস্ত স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার মাত্র ২-৩% হিন্দু, মুসলমান জনসংখ্যা ৯৫%। এত সামান্য জনগোষ্ঠীর জন্য এত বিরাট জনগোষ্ঠীকে বসিয়ে রাখলে কি দেশের ক্ষতি হয় না ?

উল্লেখ্য গতকাল দেখলাম, লক্ষীপুরের মেয়র নামাজের সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের কষ্ট পেয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে বিচার দিয়েছে। প্রশাসন মেয়রকে শোকজ করেছে। অবশেষে হিন্দু সম্প্রদায়, প্রশাসন ও মিডিয়ার চাপে মেয়র তার সিদ্ধান্ত তুলে নেয়। (http://bit.ly/2yyi1hi)

মুসলমান সম্প্রদায়ের নামাজের জন্য যদি হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসার ক্ষতি হয়, তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজার জন্য মুসলমান সম্প্রদায়েরও তো ক্ষতি হচ্ছে ?

বিষয়টা একপেশে চিন্তা করার সুযোগ নাই। আপনি অসাম্প্রদায়িকতা দেখাবেন ভালো কথা, দুই দিক থেকেই অসাম্প্রদায়িকতা দেখান। শুধু হিন্দুদের জন্য অসাম্প্রদায়িকতা, কিন্তু মুসলমানদের বেলায় দেখাবেন না এটা তো হতে পারে না।

একপেশে অসাম্প্রদায়িকতা বন্ধ হোক ।




------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

বিশ্বে মুসলিম ও ইসলামবিদ্বেষকে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে, আর বাংলাদেশে মুসলমানরা নিজ ধর্ম পালন করতেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে


গত কয়েকদিন যাবত মিডিয়ায়, অস্ট্রিয়ার নির্বাচনের বিষয়টি সবার চোখে পড়ার কথা। বাংলাদেশী অনেক মিডিয়ায় হেডিং হয়েছে- “অস্ট্রিয়া পেতে যাচ্ছে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নেতা”। ৩১ বছর বয়সী সেবাস্টিয়ান কুর্জ সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেশটির ক্ষমতায় বসবে। বাংলাদেশী মিডিয়ায় এ ব্যক্তিকে বেশ পজিটিভ হাইলাইটস করা হলো দেখলাম। (http://bit.ly/2yuC3aU)

অথচ এত কম বয়সে এত বেশি ভোট পাওয়ার রহস্যটা কিন্তু অধিকাংশ বাংলাদেশী মিডিয়া এড়িয়ে গেছে। সেবাস্টিয়ান কুর্জ এর নির্বাচনী ওয়াদা ছিলো, ক্ষমতায় গেলে সে “ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াই করবে”। এছাড়া সেবাস্টিয়ান মসজিদগুলোর জন্য অনুদান বন্ধ এবং মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআনকে কাটছাট করার চেষ্টাও করছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, তার প্রতিপক্ষ দলের অভিযোগ - সে নাকি তাদের থেকে এ ইস্যুগুলো চুরি করেছে। মানে – কে কত মুসলিমবিদ্বেষী হতে পারে চলছে তার প্রতিযোগীতা। তারপরও বাংলাদেশী ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে কুর্জই ভালো। (http://bit.ly/2x4FOT6http://bit.ly/2zxINFi)

এবার আসুন, বাংলাদেশে। লক্ষীপুর জেলার পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবু তাহের একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছে- এখন থেকে তার পৌরসভায় নামাজের সময় সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তার বক্তব্য- মানুষের নৈতিক চরিত্র ধিরে ধিরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এ অবস্থায় ধর্ম চর্চা করলে মানুষ অনৈতিকতা থেকে ফিরে আসবে।

খুব ভালো উদ্যোগ, স্থানীয় সাধারণ জনগণ এই উদ্যোগকে এপ্রিশিয়েট করেছে (http://bit.ly/2iib4vk)। অন্যদিকে মেয়রের এই সিদ্ধান্তের ফলে জ্বালাপোড়া শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশী মিডিয়া, আওয়ামী সেক্যু এবং আদারস নাস্তিক গং। সাথে বিবিসির মত বিদেশী শকুনীরা তো আছেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাকি তাকে শোকজও করা হয়েছে। (http://bit.ly/2zingiQ,

তাদের দাবি হচ্ছে, নামাজের সময় দোকানপাট এমনকি হিন্দুদের দোকান বন্ধ থাকবে, তারা তো নামাজ পড়ে না, এটা কেমন সিদ্ধান্ত ?
আচ্ছা, বাংলাদেশে যখন পূজা হয়, তখন ১৫-২০ দিন একনাগারে অনেক স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পুরো দেশকে ছুটি দিয়ে দেয়া হয়। বাংলাদেশের মুসলমানরা তো পূজা করে না, তখন কেন তাদের ছুটি দেয়ার প্রয়োজন হয় ? মাত্র ৫% জনসংখ্যার জন্য ৯৫% জনগোষ্ঠীকে কেন বসিয়ে রাখা হবে ? এটা কি অন্যায় নয় ? লক্ষীপুরে নামাজের জন্য হিন্দু দোকানদার বসিয়ে রাখলে যদি সমস্যা হয়, তবে বিভিন্ন পূজা-পার্বনে সমস্ত মুসলিমদের ছুটি বাতিল করে দেন। হিসেব চুকে-বুকে যায়।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। অথচ সেখানে হিন্দুদের জন্য মুসলশানদের গরুর মাংশ খাওয়া নিষিদ্ধ করেছে এবং সেটা সংসদ ও কোর্ট থেকে পাশ করেছে। হিন্দুর জন্য মুসলমানের গরুর মাংশ খাওয়া কেন বন্ধ থাকবে ? বাংলাদেশে যেসব হিন্দু লক্ষীপুরের ঘটনা নিয়ে উহ-আহ করছে তারা কেন কিছু হলে ভারতের কাছে আশ্রয় চায় ? তারা কেন বাংলাদেশ থেকে সম্পদ লুটে ভারতে বাড়িঘর বানায় ? তারা কখন ভারতের এই অপকর্মের নিন্দা করেছে বলে কেউ দেখাতে পারবে না।

আমি বুঝিনা, সেখানে সারা বিশ্বে মুসলিম ও ইসলামবিদ্বেষকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে, সেখানে ৯৫% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে মুসলমানরা নিজ ধর্ম পালন করতেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সত্যিই আশ্চর্য।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

এত ভয়ঙ্কর উগ্রহিন্দুত্ববাদী পুলিশ দিয়ে জাতি কি করিবে ?


ছেলেটির নাম অবিরত রায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র, চান্স পেয়েছে ৩৬তম বিসিএস-এ পুলিশের এএসপি পদে। ডান হাতে হিন্দুত্ববাদের সাইন ‘লাল সূতা’ পরিহিত ছেলেটি উগ্রহিন্দুত্ববাদী সংগঠন সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের ঢাবি শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ছেলেটির মনমানসিকতা অবশ্যই উপর দিয়ে বোঝা যাবে না। কিন্তু বাংলাদেশের উগ্রহিন্দুদের ৬৮ হাজার মেম্বারের সিক্রেট ফেসবুক গ্রুপ “Sanatan Vidyarthi Samsad (SVS)” এ পাওয়া যায় তার মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা কথাগুলো। (সিক্রেটগ্রুপ মানে যেখানে সাধারণভাবে কেউ ঢুকতে পারে না, কেউ দেখতেও পায় না। গ্রুপটির ইউআরএল -https://www.facebook.com/groups/svsbd/)।

ঐ গ্রুপে নব্য পুলিশের এএসপি অবিরতের রায়ের কিছু স্ট্যাটাস ও কমেন্ট-
১) ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ অবিরত রায় ঐ গোপন গ্রুপে স্ট্যাটাস দিয়ে বলছে- হিন্দুরা গিতা পাঠ করে কিন্তু বাস্তব জীবনে গিতার প্রয়োগ ঘটায় না। এরপর বলছে- ৫ ধরনের লোককে গিতায় অবশ্যই হত্যা করতে বলা হচ্ছে। যারা আমাদের হত্যা করতে চায়, যারা আমাদের সম্পদ দখল করতে চায়, যারা আমাদের স্ত্রীদের কিডনাপ করে, শারীরিকভাবে নির্যাতন করে, যারা আমদের আটক করে, যারা আমাদের ঘরবাড়িতে আগুন দেয়। এরপর পোস্টের শেষ অংশে মুসলমানদের ‘শান্তি প্রিয় জনগণ’ উল্লেখ করে বলে, তারা এগুলো করছে, সুতরাং তাদের উপর এই হত্যা প্রয়োগ করা এই মুহুর্তে অবশ্যই পালন করা উচিত।
(http://bit.ly/2xNWjYb)

২)২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সে বলছে- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ না উঠালে পশ্চিমারা বাংলাদেশকে জঙ্গী হিসেবে দেখবে। (http://bit.ly/2zgIJbQ)

৩) কোন একটি মুভির প্রসঙ্গে সে কমেন্ট করে- মনে রাখবেন নিজ ধর্মের উর্ধ্বে কিছু নাই। তাই এ মুভি বর্জন করুন। (http://bit.ly/2xLLUXK)
৪) সে কোন একটি পোস্টের কমেন্ট বলে, “মোল্লাদের শক্তি বাড়ছে”। (http://bit.ly/2yuvYgk)
৫) একটি স্থানে সে কমেন্ট করে- হিন্দুবিরোধী কোন আইন সহ্য করা হবে না। (http://bit.ly/2xM59QZ)
৬) একটি স্থানে সে কমেন্ট করে- ইসকন ইজ গ্রেট (http://bit.ly/2hMQ8J5)
৭) প্রধানবিচারপতি এসকে সিনহা স্বস্ত্রীক পূজা দিয়ে গিয়েছে এই খবরে সে কমেন্ট করে- হরে কৃষ্ণ। (http://bit.ly/2gM70zS)
৮) ইসলাম ধর্মকে টার্গেট করে বলে- আর কতদিন শান্তির নামে এই অশান্তি বর্বরতা চলবে। (http://bit.ly/2yQ2aMC)
৯) পিনাকি ভট্টচার্যকে প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেয়। (https://goo.gl/z7x7aX)
১০) অবিরত রায় পুলিশের এএসপি হওয়ায় এক শিশির হালদার নামে এক উগ্রহিন্দু কমেন্ট করেছে- দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে আমাদের লোক পৌছে গেলে আমাদের লক্ষ্য পূরণ সহজ হবে। (https://goo.gl/nJMCTj)

আমার প্রশ্ন দুটো-
ক) এ ধরনের কতগুলো উগ্রহিন্দুত্ববাদী ৩৬তম বিসিএস-এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঢুকেছে ? এবং আগে থেকে কতগুলো ছিলো ?
খ) এসব উগ্রহিন্দুত্ববাদী পুলিশে ঢুকলে সাধারণ মুসলমানদের সাথে কেমন ব্যবহার করবে ?



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

গোল্ডেন ট্রায়াংগল ও মায়ানমারের সাথে আওয়ামী সরকারের বন্ধুত্ব


বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সম্প্রতি বলেছেন, মায়ানমারে যে এরকম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে তা অনেক আগেই অনুধাবন করতে পেরেছিলো তারা। এজন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গত জানুয়ারী মাসেই একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু শেখ হাসিনা সেই প্রতিবেদনে উল্লেখিত অ্যাগ্রেসিভ ব্যবস্থাগুলো বাদ দিতে বলে। শেখ হাসিনার কথা হলো- মায়ানমারের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, শত্রুতা করা যাবে না।” সরকারের সেই বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবস্থার ফলাফল হচ্ছে আজকে রোহিঙ্গা সঙ্গট, যা ৯ মাস আগে জেনেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় ব্যর্থ হয়েছে সরকার।
(http://bit.ly/2yqR6En)

সরকার যে মায়ানমারের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে মরিয়া তো আরো স্পষ্ট হয়, রোহিঙ্গা গণহত্যা চলার সময় বাংলাদেশের মন্ত্রীর মায়ানমারে অপ্রয়োজনীয় আতপ চাল কিনতে যাওয়া।

এখন কথা হলো,
বাংলাদেশের আওয়ামী সরকার কেন, মায়ানমারের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী ? যে মায়ানমার বাংলাদেশকে এত এত কষ্ট দিচ্ছে, তারপরও কেন বাংলাদেশ চুপ, এটা কি শুধুই কৌশল , নাকি আরো গোপন কোন কারণ আছে ?

উল্লেখ্য দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ অংশটিতে ‘গোল্ডেন ট্রায়াংগ ‘ নামক একটি ভূমি আছে,যা তিনটি দেশের (মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাউস) মর্ধবর্তী অঞ্চলে পড়েছে। গোল্ডেন ট্রায়াংগল হচ্ছে মাদকের স্বর্গ, যেখানে প্রচুর পরিমাণে মাদক দ্রব্য চাষ করা হয়। এসব মাদক থেকে তৈরী হয় ইয়াবাসহ অন্যান্য প্রডাক্ট। (http://bit.ly/2gfduGC)

উল্লেখ্য, ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকার ২৬শে মে, ২০১৬ তারিখের রিপোর্ট অনুযায়ী-
বাংলাদেশে ইয়াবা সেবীর সংখ্যা ৩০ লক্ষ
যারা দৈনিক ইয়াবার পেছনে খরচ করে ১৩৫ কোটি টাকা
অর্থাৎ বাৎসরিক খরচ করে ৪৯ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।
(http://bit.ly/2gwBNmr)

আবার
মিয়ারনমারে প্রতিটি ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশি টাকায় পাওয়া যায় ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। সীমান্ত পার হলেও দাম বাড়ছে দ্বিগুণ। চট্টগ্রামে দাম হয় ১২০ থেকে ১৬০। ঢাকায় পৌঁছাতে পারলেই প্রতিটি ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম হয়ে যাচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। (http://bit.ly/2hM74iv)
অর্থ্যাৎ ইয়াবা ব্যবসার কারণে মায়ানমার যদি ১ টাকা পায়, তবে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা পায় ১০ টাকা, মানে লাভ প্রায় ১০ গুন। অর্থাৎ ইয়াবা ব্যবসার কারণে ভুলে ফেপে কলা গাছ হচ্ছে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।

আমরা সবাই জানি, আওয়ামী সরকারের এমপি বদি, এই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত, এটা প্রশাসনও স্বীকার করে। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে বদি জেলে যায়, কিন্তু মাত্র ১৮ দিনের মাথায় সে জেল থেকে বের হয়ে আসে। যতদূর আমার কাছে তথ্য আসে, সে সময় বদি দেশনেত্রীর কাছে মাত্র ১১০০ কোটি টাকা উপঢৌকন পাঠিয়েছিলো, যার দরুণ তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

বাংলা নিউজের রিপোর্ট মতে, বদি ছাড়াও আরেকটি সিন্ডিকেট ইয়াবা’র সাথে জড়িত। কিন্তু ঐ মহলটি এতটাই প্রভাবশালী যে প্রশাসন তা কখনই মুখে উচ্চারণ করে না।
http://bit.ly/2wWRgDj, আর্কাইভ-http://archive.is/MNXEw))

এটা স্পষ্ট,
মায়ানামরের গোল্ডেন ট্রায়াংগল বা মাদক ব্যবসার সাথে বাংলাদেশের আওয়ামী সরকার ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যেখানে তাদের ইনকামও প্রচুর। এ কারণে সম্ভবত সরকার চায় না- মায়ানমারের সাথে তাদের সম্পর্ক খারাপ হোক। কারণ রোহিঙ্গাদের কারণে তাদের যদি বার্ষিক ১০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়, কিন্তু মায়ানমারে দেয়া ইয়াবা ব্যবসা করে দৈনিক তার থেকে বেশি লাভবান হয়।

কিন্তু কষ্টদায়ক হচ্ছে,
এসব কালো টাকার লোভে দেশের ক্ষমতাবানরা হয়ত অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা ভুক্তভোগী হচ্ছে সারধণ জনগণ, টানাটানি লাগছে দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

এখন থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠিত হবে হিন্দুদের যোগব্যায়াম


এখন থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠিত হবে হিন্দুদের যোগব্যায়াম
মুসলমানদের হিন্দু পূজারিরা শিখাবে কিভাবে যোগপূজা করতে হয়।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এখন থেকে নিয়মিত প্রচারিত হবে এই যোগপূজার অনুষ্ঠান "নীরোগ দেহ সুখী স্বদেশ"।
যাই হোক এটা কোন সমস্যা না। কারণ বাংলাদেশের মুসলমানরা এমনিতেই ৫০% হিন্দু, আর না হয় ১০% বৃদ্ধি পেলোই।
আমার কথা হলো, এই পূজার নেতৃত্ব দিচ্ছে স্বামী শুভানন্দ, নামক এক ব্যক্তি।
যার সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বার্নিকাটের বিশেষ সম্পর্ক দেখা যাচ্ছে। (ছবি- ইনসেটে)
যে ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়েও পূজা-অর্চনা শুরু করেছে।
(http://bit.ly/2hKovju)
আমি, ২০১৬ সালের মে মাসে (১৭ মাস আগে) এক স্ট্যাটাসে বলেছিলাম-
“অধিকাংশ হিন্দু এখন আমেরিকার নেটওয়ার্কে কাজ করছে। উদাহরণ- প্রধান বিচারক এসকে সিনহা। এতে যে হিন্দুদের দিযে আওয়ামীলীগ তাদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে চাইছিলো, তারাই এখন আওয়ামীলীগের প্রধান শত্রু বনে গেছে। বলা যায় প্রশাসন, আইনশ্রঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীতে গণহারে হিন্দুই এখন আওয়ামীলীগের জন্য বড় উইপোকা, যারা আমেরিকার সাথে হাত মিলিয়ে ভিতরে ভিতরে খেয়ে ফেলছে আওয়ামীলীগের গদি। আওয়ামীলীগকে শূণ্য করে দেওয়ার জন্য সিআইএ উঠে পড়ে লেগেছে” (http://bit.ly/2g5Wa6N )
আমেরিকার নেটওয়ার্কে থাকা এসব উগ্রহিন্দু কিভাবে রাষ্ট্রীয় টিভিতে অনুষ্ঠান করে ?
কিভাবে সন্দেহজনক হিন্দু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পূজা অনুষ্ঠান করে ?
যা সত্যিই বিষ্ময়কর !!


------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

সিআইএ যেভাবে আরব বসন্ত নাম দিয়ে আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটিয়েছিলো, বাংলাদেশেও তা করতে যাচ্ছে


আরব বসন্তের পূর্বে এই ধরনের দেয়াল আর্ট মিশরের রাস্তায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছিলো। এসব আর্টকে বলা নয়- রেভুলেশনারি গ্রাফিতি। এসব আর্ট দেখে সাধারণ মানুষ নানান কিছু বুঝলেও নির্দ্দিষ্ট গোষ্ঠীকে এর মাধ্যমে নির্দ্দিষ্ট মেসেজ দেয়া হয়।
সম্প্রতি ঢাকার রাস্তা ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা’ নাম দিয়ে নানান আর্ট ছড়িয়ে পড়েছে, যা আরব বসন্তের সময় কায়রোর রাস্তার গ্রাফিতির সাথে মিলে যায়।
সাধারণত এই ধরনের গ্রাফিতিগুলো সিআইএ’র প্রজেক্ট। যদিও আরব বসন্ত সিআইএ শুরু করলেও পরবর্তীতে তা ইখওয়ান ছিনতাই করার চেষ্টা করে। যার খেসারত অবশ্য মুরসি ও তার সমর্থকগোষ্ঠীকে পরবর্তীতে দিতে হয়।
যাই হোক,
এই আর্ট দিয়ে এতটুকু মেসেজ অনুধাবন করা যায়,
সিআইএ যেভাবে আরব বসন্ত নাম দিয়ে আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটিয়েছিলো,
খুব শিঘ্রই হয়ত বাংলাদেশেও তারা সেরকম করতে যাচ্ছে।


------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

বাংলাদেশের সব মুসলমান যেভাবে প্রতিবাদ করবেন -

আমি একটা কথা মাঝে মাঝেই বলি-
২৫শে মার্চের কালো রাত্রী যদি না আসতো তবে
বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।
৬ দফা দাবি কিংবা ৭ই মার্চের ভাষণ (ভাষণের শেষ বাক্যটি ছিল, জিয়ে পাকিস্তান)
সবগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায় ছিলো স্বায়ত্বশাসন
খোদ বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন বলে মনে হয় না
তবে ২৫শে মার্চের গণহত্যা পরিস্থিতি স্বাধীন রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে গেছে।
৪৭-এ দেশভাগের পূর্বেও এ অঞ্চলে ঘটেছিলো বেশকিছু দাঙ্গা। প্রাণহানী হয়েছিলো প্রচুর। বলা যায়, নিজ ভায়ের রক্ত না দেখলে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত হয় না। আরামপ্রিয় বাঙালীরা কোনঠাসার একাবারে শেষ পর্যায়ে না ভিন্ন কিছু চিন্তা করতে চায় না। যদিও এই অসচেতনার জন্য তাকে দিতে হয় অনেক অনেক রক্ত। সামান্য কিছুদিন আগে জাগ্রত হলেই হয়ত এতমূল্য তাকে দিতে হতো না, এত আত্মীয়-স্বজনকে হারাতে হতো না।
গত কয়েকদিন যাবত বাংলাদেশীদের অবস্থা আমি দেখছি,
অধিকাংশ মানুষ সুন্দরী প্রতিযোগীতা, ক্রিকেট খেলা, ব্লু-ওয়েল গেম, ‘ঢাকা অ্যাটাক‘ নিয়ে ব্যস্ত।
যাদের মানুষ জনপ্রতিনিধি মনে করে তারাও ব্যস্ত পকেট ভরা আর প্রতিপক্ষ দমন নিয়ে।
কিন্তু দেশ যদি গোল্লায় যায় গেলো, তাতে কার কি আসে যায় ?
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভাবে-“দূর কিছু হবে না, এখন চুপ থাক।”
কিন্তু ইরাক-আফগানিস্তান, মায়ানমার, লেবানন, সিরিয়া হয়ে গেলো।
এবার যদি বাংলাদেশের পালা হয়, তবে তারা কি করবে ??
বাংলাদেশের জন্য কি সমস্যা হতে পারে ?
আপনার চারপাশের দেশগুলোর দিকে তাকান
সেখানে যে সমস্যা, তা আপনার ঘাড়ে আজ-কালকে আসবে।
ভারতের হিন্দুত্ববাদ, আর মায়ানমার বৌদ্ধবাদ।
আপনার কি আছে ?
আমার সেক্যুলারিজম। সেক্যুলারিজম দিয়ে ওদের হিন্দুত্ববাদ আর বৌদ্ধত্ববাদ ঠেকিয়ে দেবো ।
আদৌ কি সেটা সম্ভব ?
কংগ্রেস ছিলো সেুক্যলার, ছিলো অনেক ক্ষমতা। কিন্তু এখন বিজেপির কাছে ছোট ছেলে।
মায়ানমারে এক সময় ছিলো সেক্যুবাদ, মুসলমানরা তাল দিয়েছিলো। কিন্তু এখন রয়েছে শুধু বৌদ্ধবাদ, ছুড়ে ফেলা হয়েছে মুসলমানদের।
এখনই যদি বাংলাদেশীরা সেই উগ্রবাদকে দমন করতে প্রস্তুত না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বলে কিছু থাকবে না। কিন্তু সেই শক্তি বা চেতনা মুসলমানদের আছে বলে মনে হয় না। মুসলমানদের মন সারা দিন দূরু দুরু, না জানি কি হয়ে যায় ? নিজে বাচলে বাপের নাম।
হয়ত ভাবছেন- আমার হাতে কোন ক্ষমতা নাই। সব ক্ষমতা সরকারের হাতে। সরকার যদি চায় সব অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব।
না আপনার হাতেও ক্ষমতা আছে। আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করুন, সরকার তারটা করবে।
আমি বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য সহজ-সরল প্রতিবাদের ভাষা খুজে দিতে চাই। এটা নিরব ভাষা, এতে খুব একটা কষ্ট হবে না। শুধু চাই মুসলমানের ইচ্ছাশক্তি। বাংলাদেশের সব মুসলমান যদি একযোগে শুরু করে তবে প্রতিপক্ষ একেবারে কোনঠাসা করতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
যেভাবে প্রতিবাদ করবেন -
১) আপনার কোন প্রতিষ্ঠান/ব্যবসায় মুসলিম ব্যতিত অন্য ধর্মের লোককে চাকুরী দেবেন না। যাদের দিয়েছেন, এখনই ছাটাই করুন।
২) মুসলিম ব্যতিত কাউকে বাড়িভাড়া দিবেন না। যদি দিয়ে থাকেন, তবে আজই টু-লেট ঝুলিয়ে দিন।
২) মুসলিম ব্যতিত অন্য ধর্মের লোকের দোকান থেকে (মিষ্টি, কাপড়, মুদি বা খাবারের দোকান) কিছু কিনবেন না, খাবেন না।
৩) মুসলিম ব্যতিত অন্য ধর্মের লোকের কাছে আপনার সন্তানকে প্রাইভেট পড়াবেন না
৪) কোন অমুসলিমের দোকান থেকে চুল কাটাবেন না। জুতা সেলাই করবেন না।
৫) অমুসলিম বন্ধু বান্ধবদের এড়িয়ে চলুন, তাদের সাথে ঘনিষ্টতা করবেন না।
৬) কোন অমুসলিম থেকে কোন জমিজমা কিনবেন না।
৯) অমুসলিম মালিকানাধীন যানবাহন এড়িয়ে চলুন।
১০) অমুসলিমদের কোন অনুষ্ঠানে যাবে না।
১১) কোন অমুসলিম উকিলের কাছে মামলা নিয়ে যাবেন না।
১২) কোন অমুসলিম ডাক্তারের কাছে যাবেন না।
এই ১২টি বিষয় নিজে পালন করুন, নিজ বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয় স্বজনকে পালন করতে বলুন। সবাই একযোগে করতে পারলে দেখবেন অনেক কিছুই সহজ হয়ে গেছে। জ্ঞানীদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

ফেসবুকে সমালোচনায় ইসরাত সাদমীন কিছুদিন বাল্যবিবাহ বন্ধে নিবৃত ছিলো কিন্তু হঠাৎ করে আবার শুরু করেছে


গত ২৮ ও ২৯ শে জুলাই টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার ইউএনও ইসরাত সাদমীনের বাল্যবিবাহ বন্ধ করা নিয়ে দুটো স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। 
প্রথম স্ট্যাটাসের শিরোনাম ছিলো- “মেয়েদের বিয়ে ভাঙ্গতে পটু ইউএনও ইসরাত সাদমীন । (http://bit.ly/2zs24HV)
এই স্ট্যাটাসে দেখা যায়, গ্রামের মেয়েদের বিয়ে স্পটে বিয়ে বন্ধ করে নিজে বাহবা কুড়ায় ইউএনও ইসরাত সাদমীন। এরপর সে সব মেয়ের ছবিসহকারে তার বীরত্ব (!)পূর্ণ ছবি মিডিয়ায় ছাপা হয়। এতে ঐ মেয়েটির কতটা করুণ অবস্থা হতে পারে, সেটা নিয়ে ইউএনও একবারও চিন্তা করে না।

এরপর দ্বিতীয় স্ট্যাটাসের শিরোনাম ছিলো –
“১৮ বছরের নিচে বিয়ে থামান, কিন্তু ১২ বছরের মেয়েকে পতিতাবৃত্তির লাইসেন্স দেন কেন ?”
ঐ স্ট্যাটাসে দেখিয়েছিলাম, ১৮ বছরের নিচে বিয়ে আটকালেও এই ইসরাত সাদমীনরাই ১২ বছরের মেয়েকে পতিতাবৃত্তি করতে লাইসেন্স দিচ্ছে। (http://bit.ly/2zqYE8m)

ফেসবুকে সমালোচনার কারণে ইসরাত সাদমীন কিছুদিন বাল্যবিবাহ বন্ধে নিবৃত ছিলো। কিন্তু হঠাৎ করে তার বাল্যবিবাহ বিরোধী কার্যক্রম ফের চালু হয়েছে। বিশেষ করে ,গত ২৯শে সেপ্টেম্বর খবরে আসে, সে নাকি ১ দিনে ২টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করে। (http://bit.ly/2yMPkyu)

ইসরাত সাদমীন ভালো কাজ করছে, নাকি খারাপ কাজ করছে আমি সেই তর্কে যাবো না। কিন্তু আমি ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। ২০১৭ সালে আইনটি কিছু সংশোধন করে ১৯তম ধারায় ‘বিশেষ বিধান’ নামক একটি অংশ চালু করা হয়। সেই বিশেষ বিধানে কি আছে, আসুন পড়ি-
“ এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিধি দ্বারা নির্ধারিত কোন বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে, আদালতের নির্দেশ এবং পিতা-মাতা বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতিক্রমে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণক্রমে, বিবাহ সম্পাদিত হইলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।” (http://bit.ly/2yN5ubl)

আইনের এ নতুন ধারা অনুসারে “ঐ মেয়েটির সর্বোত্তম স্বার্থে” এবং “অভিভাবকের সম্মতিক্রমে” যদি বিয়েটি হতেই যায়, তবে ইসরাত সাদমীন কি করে বিয়ে আটকাতে পারে ??

আমার মনে হয়, এখন থেকে এসব ইউএনও-ফিউএনও বিয়ে আটকাতে আসলে গ্রামবাসী সব এক হয়ে এদের দৌড়াানি দেয়া উচিত। সামান্য কিছু পাবলিসিটির জন্য যারা আইনের তোয়াক্কা না করে নিরীহ মেয়েদের জীবন নষ্ট করতে পারে, তাদের দুই-চার যায়গায় পিটুনী আর দৌড়ানি দিলে, এরা আর বিয়ে বন্ধ করার সাহস পাবে না।




------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

এবার ভারত থেকে রোহিঙ্গা পুশ-ইন করানো হচ্ছে !


গত শনিবার বিএসএফ অর্ধশত রোহিঙ্গাকে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার চেষ্টা করে। উল্লেখ্য, ভারতের প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা আছে, এদেরকে যদি তারা মায়ানমারকে ফলো করে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়া হয়, তখন কি হবে ? (ইতিমধ্যে সবাইকে পুশ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে !) (http://bit.ly/2zbvkC4,http://bit.ly/2yLMNER)

কথায় বলে ভাবিয়া করিও, কাজ করিয়া ভাবিও না ।
এখন বাংলাদেশে প্রবেশকরা ৫ লক্ষ রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা কত কিছু ভাবছি।
কিন্তু আগেই যদি চিন্তা করা যেতো, ৫ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পুশ করতে পারে মায়ানমার।
তবে অবশ্যই আগাম অনেক ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব ছিলো।

অনেকেই বলেছেন, রোহিঙ্গাগণহত্যা যখন শুরু হলো,
তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যদি সীমান্তে কিছুটা সামরিক এক্টিভিটি দেখানো হতো,
যেমন- এয়্যারক্রাফট/হেলিকপ্টার উড়ানো, সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি, তবে হয়ত মায়ানমার ভয় পেতো। এতে রোহিঙ্গা পুশ বন্ধ তো অবশ্যই, অনেক রোহিঙ্গাকে প্রাণে বাচানোও সম্ভব ছিলো।
কিন্তু বাংলাদেশের পুরোপুরি বোবা অবস্থান দেখে, বার্মীজ সরকার মাথায় চড়ে বসে এবং বিনাবাধায় তারা রোহিঙ্গা গণহত্যা চালাতে থাকে এবং বাকিদের পুশ করতে থাকে। আর বাংলাদেশও ভ্যাবলার মত তাকিয়ে পুরো ঘটনার ভিকটিম হয়।

তবে বাংলাদেশ যে একেবারেই কিছু জানতো না, এটা কিন্তু সঠিক নয়। গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন-
রোহিঙ্গা ইস্যুতে এরকম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে তা তারা আগেই জানতেন। গত জানুয়ারিতে তাই গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ কি করবে’ সেটা নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। সেই প্রতিবেদনের কিছু অংশ শেখ হাসিনা গ্রহন করে এবং কিছু অংশ নাকচ করে দেয়। সেই সময় শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশনা ছিলো- “বন্ধুত্ব বজায় রেখে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে এবং প্রতিবেশী দেশ হিসাবে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। অবশ্যই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।” (http://bit.ly/2yqR6En)

আমরা দেখেছি, গণহত্যা শুরু হওয়ার পরও মায়ানমারের সাথে ‘অপ্রয়োজনীয় আতপ চাল’ ক্রয় করে সেই একপেশে বন্ধুত্ব ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

কিন্তু আমার কথা হলো,
মায়ানমারের সাথে সেই সুসম্পর্ক বজায় রেখে লাভটা হলো কি ?
মায়ানমার তার অভ্যন্তরীণ সমস্যা বাংলাদেশে ঘাড়ে শুধু ফেলায়নি, উপরন্তু আন্তর্জাতিক সম্রাজ্যবাদীদের বাংলাদেশে প্রবেশের একটা উপলক্ষ্য তৈরী করে দিয়েছে। আজকে যদি রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে আমেরিকা বাংলাদেশের প্রবেশের চেষ্টা চালায়, তবে আমরা কি বলবো না, এর জন্য শেখ হাসিনার ‘একপেশে বন্ধুভাবানপন্ন পররাষ্ট্রনীতি’ দায়ী। ৯ মাস আগে তার দেয়া ভুল সিদ্ধান্তের কারণে আজকে বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভিকটিমাইজ হতে হচ্ছে। তখন যদি তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারতেন, তবে আজকে বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হতো না।

ব্যক্তিগতভাবে আমি বঙ্গবন্ধুকে খুব শ্রদ্ধা করি। তিনি উপযুক্ত সময়ে অনেক উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশ স্বাধীনের পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মূ্ক্ত হয়ে তিনি যখন ভারতের পৌছান, তখন ইন্দিরা গান্ধীকে প্রথম দেখাতেই বলেছিলেন- “আমার দেশ থেকে আপনার সেনা কবে সরবে ?”
বিষয়টি লক্ষ্য করুন- মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধী সারা বিশ্বের দরবারে দরবারে ঘুড়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য। বাংলাদেশের ১ কোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিলো, মু্ক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং দিয়েছিলো। স্বাভাবিকভাবে বঙ্গবন্ধুর উচিত ছিলো প্রথমেই তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। পরে সুযোগ বুঝে সেনা সরানোর কথা বলা । কিন্তু তিনি সেটা করেননি। তিনি ভাবেননি ইন্দিরা মণক্ষুন্ন হবে, তার সাথে বন্ধুত্ব নষ্ট হবে। প্রথম সাক্ষাতের সময় আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখকে তিনি কাজে লাগিয়েছেন, উপযুক্ত সময় উপযুক্ত কথা বলে বাংলাদেশের সারভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। এটাই হচ্ছে পররাষ্ট্রনীতি।
তুমি আমার প্রতিবেশী এটা ঠিক, তোমার সাথে বন্ধুত্ব আছে, এটাও ঠিক। কিন্তু এরমানে এই নয় তোমার বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে তোমাকে আমার দেশের ক্ষতি করতে দেবো। খুব কষ্ট লাগে যখন দেখি ভারতীয় মন্ত্রী-এমপিরা বাংলাদেশে এসে বলে- “বাংলাদেশ ভারতের বেস্ট ফ্রেন্ড”, “বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্ধুত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছেছে”, কিন্তু ঐদিনই সীমান্তে কোন না কোন বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। এই ধরনের বন্ধুত্ব কখনোই কাম্য হতে পারে না।

যাই হোক,
ভারত বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পুশ ইন করতে চাইছে, এটা এখনও খবরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। যে কোন সময় তা বাস্তবে রূপ নিতে পারে। ভারত থেকে রোহিঙ্গা প্রবেশ করলে বাংলাদেশের সীমান্ত কয়েকদিক থেকে এফেক্টেড হবে, যা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি।
কোন কিছু ঘটার আগেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। কিন্তু শেখ হাসিনার কথিত ‘বন্ধুভাবাপন্ন পররাষ্ট্রনীতি’ সেই বিপদ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারবে বলে মনে হয় না।



------------------------------------------------------------------

--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।

--আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
Share:

জনপ্রিয় লেখা সমূহ

ট্যাগ সমূহ

আর্কাইভ

সাম্প্রতিক পোস্ট